মুজিব বাহিনী : একাত্তরের এক রহস্যময় অধ্যায়
মুক্তিবাহিনীর সবচেয়ে বড় অংশটি এসেছিল ছাত্রদের মধ্যে থেকে। এরা একইসঙ্গে ছিল বিভিন্ন রাজনৈতিক মতবাদের অনুসারী। সুবাদেই আদর্শগত সংঘাত এবং ভিন্ন নেতৃত্বকে অস্বীকার করার একটা প্রবণতা এদের মধ্যে খুব প্রবল। সেদিক থেকে আদর্শ গেরিলা ছিলেন মাটি থেকে উঠে আসা- কৃষক শ্রেনীর লোকজন। এদের মিথ্যে অহম ছিলো না, একজোড়া জাঙ্গলবুটের জন্য হা-পিত্যেশও তারা করেনি, খাবার না পেলে খায়নি, পরিধেয় বা বিছানা নিয়েও মাথা ঘামায়নি। স্রেফ স্বাধীনতার স্বপ্ন
..... বিস্তারিত
মুজিব হত্যার তদন্ত ও রায় - পরেশ সাহা
মুজিব হত্যার তদন্ত ও রায়
পরেশ সাহা
জ্যোৎস্না পাবলিশার্স,
..... বিস্তারিত
প্রথমেই শেখ কামালের কথা বলি। বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর প্রথম ব্যাচের ক্যাডেট অফিসারদের একজন। ১৯৭১ সালের ৯ অক্টোবর এদের পাসিং আউট হয়। এরপর সেকেন্ড লেফট্যানেন্ট শেখ কামাল প্রধান সেনাপতি এমএজি ওসমানির এডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শেখ জামাল পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে গৃহবন্দী ছিলেন। সেখান থেকে পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। মুজিব বাহিনীর একজন সদস্য হিসেবে যুদ্ধ করেছেন। ২ ডিসেম্বর লন্ডনের গার্ডিয়ান পত্রিকায়
..... বিস্তারিত
বাংলাদেশের প্রথম যুদ্ধ শিশু জয়
বেশিরভাগ যুদ্ধ শিশুকেই বিজয়ের পর কানাডা, সুইডেন ও নরওয়েতে পুনর্বাসন করা হয়েছিল। এদের একজন জয় (নামটা বাংলাদেশের জয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে জানিয়েছেন তার দত্তক পিতা)। প্রথমে মোজেস নিকলাস এবং এখন সভেন নিকলাস স্টর্মবার্গ নাম। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর একটি বোমাবিধ্বস্ত বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এরপর তার ঠাঁই হয় হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে। সুইডেন টিভির হয়ে সে সময় ঢাকায় যুদ্ধ কাভার করছিলেন সভেন স্টর্মবার্গ। ১৬
..... বিস্তারিত
মেজর নাজমুল হক : অকৃতজ্ঞ জাতির এক অচ্ছ্যুৎ সেক্টর কমান্ডার
ওভাবে মরাটা উচিত হয়নি মেজর নাজমুল হকের। নির্ঘুম কয়েক রাত শেষে বৃষ্টি ভেজা পাহাড়ি রাস্তায় জিপ চালাচ্ছিলেন। চশমার কাচটা বুঝি ঝাপসা হয়ে এসেছিলো। গাড়ি উল্টে খাদে পড়ে মৃত্যুবরণ করেছিলেন তিনি। কিন্তু ওভাবে নয়, তার চেয়ে বরং কোনো পাকিস্তানী ব্যাটেলিয়ানের দিকে দু হাতে মেশিনগানের গুলি ছুড়তে ছুড়তে মরলে সেটা একটা কাজের কাজ হতো। বীরশ্রেষ্ঠ না হোক, একটা বীর প্রতীক কিংবা বীর বিক্রম জুটেই যেত। যুদ্ধে বীরত্ব
..... বিস্তারিত
স্বাধীনতার বিস্মৃত সেই ডাক-হরকরাদের কথা
স্বাধীনতার পর এ নিয়ে কোনো কথা ওঠেনি। রক্তাক্ত বাংলাদেশ কার ডাকে, কার নামে স্বাধীন হয়েছিলো এ নিয়ে প্রশ্ন করেনি কেউ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনককে হত্যা করার পরপরই শুরু হয়ে গেলো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বেআব্রু করার চক্রান্ত। বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের এবং হত্যাকাণ্ডের বেনিফিশিয়ারীদের প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ইচ্ছেমতো লেখা হতে লাগলো তা। আর পাঠ্যবই থেকে শুরু করে নানা সংবাদমাধ্যম ব্যবহার করে গেলানো হলো নতুন প্রজন্মকে। তবুও শেষ
..... বিস্তারিত
খানিকটা তন্দ্রার ঘোরেই ছিলেন মারিও রয়ম্যান্স। চোখ মেলতেই সামনে থাকা টিভিতে দৃষ্টি আটকে গেলো। সংবাদ পাঠকের সামান্য বর্ণনার পর পর্দায় ভেসে উঠলো কোনো মতে গা ঢাকা এক মায়ের কোলে অপুষ্ট এক শিশুর ছবি। জায়গাটা পূর্ব পাকিস্তান। সেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদ দমনের নামে ভয়াবহ এক গণহত্যা চলছে। লাশ কুকুরে খাচ্ছে। লোকজন পালাচ্ছে। গন্তব্য একটাই, সীমান্তের ওপারে ভারতে। আর সহ্য হলো না, উঠে নব ঘোরালেন। বন্ধ করে দিলেন টিভি।
কিন্তু
..... বিস্তারিত
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে আনুষ্ঠানিক জন্ম নেয় বাংলাদেশ। এদিন পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলের সেনাধিনায়ক জেনারেল নিয়াজী মিত্রবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে আত্মসমর্পণ করেন সদলে। বাংলাদেশের পক্ষে এই অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন (এয়ার ভাইস মার্শাল) একে খন্দকার। এই আত্মসমর্পণে মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ও মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানী কেনো ছিলেন না- এনিয়ে ব্লগ গরম হয়েছে একসময়। টুকরো যে সূত্র মিলেছিলো তাতে
..... বিস্তারিত
জন্মযুদ্ধ ৭১-এ আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। এটি মূলত মুক্তিযুদ্ধের নানা তথ্য উপাত্তের একটি সংগ্রহশালা, যা সবার জন্য উন্মুক্ত। তরুণ প্রজন্ম যাতে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের কোনো ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে কোনো রকম বিভ্রান্তিতে না ভোগে সেজন্য এই উদ্যোগ।
